[h2]আসসলামুয়ালাইম[/h2]

[h4]পরম করুনাময়,অসীম দয়ালু মহান আল্লাহ পাকের নামে শুরু করছি।[/h4]

[h4]কেমন আছেন সবাই?আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি।আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে হাজির হয়েছি…কুফরী কালাম সমূহের বর্ণনা অর্থাৎ যে কথা বলা যাবে না অর্থাৎ বললে কাফের হয়ে যাবে এ বিষয় মাসআলা নিয়ে,,।[/h4]

[h2]কুফরী কালাম সমূহের বর্ণনা:-[/h2]

[h4]দস্তরুল কুযাত নামক কিতাবে ফতােয়ায়ে খুলাছা’ থেকে উদ্ধৃত করা হয়েছে যে, কোন মাসআলায় যদি কৃফরের একাধিক দিক পাকে, আর কুফর না হওয়ার একটি মাত্র দিক থাকে তাহলে কৃফরের ফতােওয়া দেয়া যাবে না। অধমের (গ্রনস্থকার) মতও তাই, কিন্তু মুসলমানের কুফরের সর্ব প্রকার আশংকা থেকে বেঁচে থাকা উচিত।[/h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]হযরত আবু বকর ও হযরত উমর (রাযি) কে গালি দিলে কাফের হয়ে যাবে। হযরত আলী (রাযি) কে তাদের চেয়ে উত্তম বললে কাফের হবে না, তবে এরূপ বলা বিদআত।[/h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]আল্লাহর দিদারকে অসম্ভব মনে করলে কাফের হয়ে যাবে।[/h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]আল্লাহ তায়ালাকে (সৃষ্টির ন্যায়) শরীর বিশিষ্ট এবং হাত পা, চেহারা ওয়ালা বললে কাফের হয়ে যাবে। (তবে কুরআন শরীফে আল্লাহ তায়ালার জন্য
হাত, পা, মুখের, যে উল্লেখ রয়েছে সেগুলাের অর্থ এই নয়, যা উক্ত শব্দগুলি মানুষের জন্য ব্যবহার করলে বুঝা যায়।)[/h4]
[h2]মসাআলাঃ-[/h2][h4]যদি কোন ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কোন কুফুরী শব্দ উচ্চারণ করে আর তার একথা জানা না থাকে যে, এটা কুফরী কথা, তাহলেও অধিকাংশ আলেমের মতে সে কাফের হয়ে যাবে (অজ্ঞতার দরুন) তাকে মাযুর মনে করা হবে না। (আর যদি কুফুরী কথা) অনিচ্ছায় মুখ থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে কাফের হবে না।[/h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]কেউ যদি কাফের হয়ে যাওয়ার সংকল্প কওে, হােক তা দীর্ঘদিন পরে, তাহলে সে তখনই কাফের হয়ে যাবে।[/h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]কোন ব্যক্তি যদি অকাট্য হারামকে হালাল আর অকাট্য হালালকে হারাম বলে এবং ফরযকে ফরয মনে না করে তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে।[/h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]কোন ব্যক্তি যদি মৃত প্রাণীর গোশত বিক্রি করার সময় বলে যে, এসব গােশত মৃত প্রাণীর গােশত নয়, হালাল গােশত, তাহলে সে কাফের হবে না।[/h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]যদি একজন অপরজনকে বলে, তুমি কি আল্লাহ তায়ালাকে ভয়ে কর না? সে উত্তর দিল না। তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে। ইমাম মুহাম্মদ বিন
ফজল (রহ.) এর মতে যদি গুনাহের কাজ করা অবস্থায় এরূপ করে তাহলে
কাফের হবে, নতুবা কাফের হবে না।[/h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]কেউ যদি বলে যে, সে যদি খােদাও হয় তবুও তার কাছ থেকে
আমি আমার হক আদায় করে ছাড়বাে, তবে সে কাফের হয়ে যাবে। (কেননা
এতে মনে হয় যে, সে খােদার উপরও নিজেকে ক্ষমতাবান মনে করে)।[/h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]যদি কেউ বলে যে, স্বয়ং আল্লাহ তায়ালাই তাের সাথে পারেনা,
আমি কি করে পারবাে ? তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে।[h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]যদি বলে আমার জন্য আসমানে আল্লাহ আছেন আর যমিনে তুমি তাহলে কাফের হয়ে যাবে।[/h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]কেউ যদি ইলমের মজলিসে বসে আমার লাভ কী? অথবা বলে যে আলেমগণ যা বলেন তা কে করতে পারে? তাহলে কাফের হয়ে যাবে। (কেননা সে শরীয়তের হুকুম পালন করা অসম্ভব মনে করেছে)।[/h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]যদি কেউ বলে যে, টাকা পয়সার দরকার ইলম কোন কাজে আসবে? তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে।[/h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]যদি কেউ বলে, এরা যে ইলম শিখে তা কিছ্ছা কাহিনী ও মিথ্যা ধোঁকা মাত্র অথবা বলে যে, আমি আলেমদের ধান্দাবাজি মানি না, তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে।[/h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]একজন অন্যজনক বলল যে, আমার ন্যায় তুমি ও শরীয়ত মত চল, উত্তরে সে বলল যে, পুলিশ নিয়ে আসাে। তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে । (কেননা এ ব্যক্তি বাধ্যকরণে ছাড়া স্বেচ্ছায় শরীয়তের উপর আমল করতে রাজি নয়)। যদি বলে , আমার সাথে কাজির দরবারে চল, অন্যজন বলে পুলিশ নিয়ে আসাে। তাহলে সে কাফের হবে না।[/h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]একে অন্যকে বলল, জামাতের সাথে নামাজ পড়, সে বলল
ইন্নাছ ছালাতা তানহা তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে। (কেননা সেক কুরআনে উল্লিখিত তানহা আরবি শব্দটি তানহা ফা্সী শব্দ একাকী এর অর্থে ব্যবহার করে কুরআন শরীফের সাথে ঠাট্টা করেছে।)[/h4]
[h2]মাসআলা :-[/h2][h4]যদি কোন ব্যক্তি পাতিলের অবশিষ্ট খাবারকে লক্ষ্য করে ওয়াল বাকিয়াতুছ
ছালেহাত অথ্যাৎ নেক আমল যা কিয়ামতের দিন বাকি থাকবে তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে।[/h4]

[h4]আল্লাহ্ তালা আমাদের কে এর উপর আমল করার তৌফীক দান করুন,,,আমিন,, সবাই সুস্তো থাকেন ভালো থাকেন আবর পরে দেখা হবে নতুন কোন বিষয় আল্লাহ্ হাফেয,,,,।[/h4]